শিলাজিত শুধু আপনার দাম্পত্য জীবনের সুখ, সময়, আনন্দ বৃদ্ধি করে না! শিলাজিতে থাকা প্রায় ৮৩ রকমের মিনারেল, ফুলভিক অ্যাসিড, হিউমিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড যা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য কার্যকর।
উঃ শিলাজিত (Shilajit) সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান, যা প্রধানত হিমালয় পর্বতমালার 1800 হাজার ফুট উচ্চতার পাথরগুলির ফাটল থেকে নির্গত হয়। শিলাজিত গঠিত হয় উদ্ভিদ এবং খনিজ পদার্থের জৈব ক্ষয় থেকে, যা দীর্ঘ সময় ধরে ভূগর্ভস্থ চাপ ও তাপের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়।
উঃ (১) ফুলভিক অ্যাসিড (২.) মিনারেল। (৩) ডিবেনজো-আলফা-পাইরন। (৪) হিউমিক অ্যাসিড। (৫) অ্যামিনো অ্যাসিড। ইত্যাদি আরও অনেক উপাদান থাকে।
উঃ ১. ফুলভিক অ্যাসিড: শরীর থেকে টক্সিন দূর করে এবং কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে।
২. মিনারেল: টেস্টোস্টেরন হরমন বৃদ্ধি করে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
৩. ডিবেনজো-আলফা-পাইরন: যৌন শক্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে ও শরীর ক্লান্ত ক্লান্ত ভাব দূর কর।
৪. হিউমিক অ্যাসিড: টক্সিন দূর করে টেস্টোস্টেরনের ভারসাম্য বজায় রাখে।
৫. অ্যামিনো অ্যাসিড: শুক্রাণুর মান ও পেশি শক্তি উন্নত করে প্রজনন স্বাস্থ্য সমর্থন করে।
উঃ শিলাজিত খুবি অল্প পরিমানে সেবন করতে হয়।শুরু করার সময় ৫০০ মিলি গ্রাম দিয়ে শুরু করতে পারেন।ধিরে ধিরে এইটা ৭৫০ মিলি পযন্ত খেতে পারবেন।
রমজান মাসে রোজাদার ব্যক্তিরা শিলাজিত খেতে পারেন সেহরি বা ইফতারের পর। তবে সর্বোত্তম উপায় হলো:
✅ সেহরির সময় – পানির সাথে অথবা দুধের সাথে খেলে সারাদিন শক্তি ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।
✅ ইফতারের পর – খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০-৬০ মিনিট পরে শিলাজিত গ্রহণ করলে এটি ভালোভাবে শোষিত হয় এবং দ্রুত শক্তি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।
। নরমাল পানি ,দুধ ,অশ্বগন্ধা ,মধুর সাথে মিশিয়ে সেবন করতে পারবেন। পরিমাপ টা বুঝবেন কিভাবে দুইটা গমের দানার সমপরিমাণ শিলাজিত নিলেই ৫০০ মিলি গ্রাম হবে।
উঃ শিলাজিত সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান এর কোন সাইড ইফেক্ট নেই।
উঃ 17 বছরের নিচে কেউ শিলাজিত সেবন না করাই উত্তম। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারী সেবন থেকে বিরত থাকবেন। আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে ভুগছেন, তাঁরা শিলাজিত এড়িয়ে চলুন।
উঃ সেবন বিধি এইটা খুবি গুরুত্বপূর্ণ আমরা প্রতেকেই যেখানে আসচেতন। শিলাজিত সঠিকভাবে সেবন করলে এর সর্বোত্তম উপকারিতা পাওয়া যায়। শিলাজিত সম্পূর্ণ প্রাক্রতিক উপাদান থাকায় এটি সেবনের সাথে সাথে কাজ করে না। শিলাজিত ধিরে ধিরে কাজ করে আর একবার কাজ করা শুরু করে দিলে স্থায়ী ভাবে সমাধান পায়ে যাবেন ইনশাআল্লহ। এর জন্য আপনার ৭/১৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে।
উঃ শিলাজিত একটানা ৯০ দিন পযন্ত সেবন করতে পারবেন।.৯০ দিন পরে এক মাস গেপ দিয়ে আবার সেবন শুরু করতে পারবেন।
উঃ অথেন্টিক শিলাজিত চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে ফায়ার টেস্ট এখন এই ফায়ার টেস্ট করবেন কিভাবে?একটা কাঠির মাথায় কিছু পরিমান শিলাজিত নিবেন তারপর গ্যাসলাইট দিয়ে আগুন জালাবেন যদি দেখেন শিলাজিতের মধ্যে আগুল লেগে গেছে,অথবা মমের মত গলে যাবে, তাহলে সেটি ফেক শিলাজিত বলে বিবেচিত হবে।আর যদি দেখেন আগুন লাগে নাই কিন্ত পুড়ে গেছে আঙ্গুল দিয়ে পিসে দিলে ছায় হয়ে যাচ্ছে ,তাহলে সেটি আরজিনাল।
বিদ্রঃ এই পরিক্ষাটি শুধু সলিড শিলাজিতের জন্য। একটা বিষয় মাথায় রাখবেন ,লিকুইড শিলাজিত ,আর কেপ্সুল শিলাজিত ভেজাল করলে আপনি কোন ভাবে চিনতে পারবেন না,এটি চেনার কোন উপায় নেই তাই অসাধু ব্যাবসায়ীরা লিকুইড আর কেপ্সুলে ভেজাল করে থাকে। অথেন্টিক শিলাজিত চেনার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। শিলাজিতের গন্ধ ঠিক আছে কি না? পানিতে মেশানোর পর কালার ঠিক আছে কি না?